Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2020

ধান্যকুড়িয়ার পথে পথে : কানাইলাল জানা

ধান্যকুড়িয়ার পথে পথে কানাইলাল জানা সিউড়ি থাকাকালীন বীরভূমের যে সব গ্রাম দেখেছি, তার মধ্যে আকর্ষণীয় নাম বক্রেশ্বরের পথে 'ধান্যকুড়িয়া। রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রাম, যার অনেকটাই এখন ময়ূরাক্ষীর রোষানলে। কিন্তু এতদিন পর এই প্রথম দুর্গোৎসবের নবমী-তে গেলাম বহু প্রত্যাশিত উত্তর ২৪ পরগণা জেলার ধান্যকুড়িয়া। বারাসাত দিয়ে নয়, গড়িয়া পাঁচপোতা হয়ে নতুন রাস্তা খুঁজে খুঁজে। ট্যানারি এলাকা পেরিয়ে মালঞ্চ এলাম, যেখানে বিদ্যাধরী বইছে যেন খোলা চুলের এক উন্মাদিনী। কার্তিক অঘ্রাণে ধানমাঠের অতিরিক্ত জল যখন 'যাওপাখি' বলে ছেড়ে দেওয়া হয়, নদী বেগবতীই হয়। দূর দূর গ্রাম থেকে বাংলার শারদ অর্ঘ্যের সুষমা ভেসে আসছে বাংলা গানের মাধ্যমে। গান নিয়ে কত পরীক্ষা নিরীক্ষা বহুদূর বিস্তৃত চর্চা হল, তবু আপামর বাঙালির মন মজে সেই সহজ সুন্দর কথা ও সুরে। বড় এক পানিফলের খেতে ব্যস্ততা ফসল তোলায়। তার পাড়েই বসে পড়ি দুপুরের খাওয়া সেরে নিতে। ছবিও তুলল মধুমিতা, ময়ূরাক্ষী। প্রায় প্রত্যেকটি রাস্তা দুয়োরাণীর মতো শুয়ে আছে বুকে ব্যথা ও কষ্ট নিয়ে, সামান্য শুশ্রূষা ও যত্ন পেলে সে সুখী হয়ে পথচারীকেও সুখী করবে - এই...

বিস্ময় রায়

audio testing ভ্রমণকারীর কণ্ঠে ভ্রমণ কথা।  হনুমান টিব্বার রাত : ধিকি ধিকি জ্বলছে কাঠের আগুন। ঝকঝকে বাতাসে মুরগি সেঁকার ধোঁয়াটে সুবাস। ওই উত্তাপ ঘিরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আমরা জনা পনের। নানা সাইজের পাথরে গোল হয়ে বসে, গল্প টুকটাক। পাশদিয়ে বিপাশার সগর্জন উচ্ছ্বাস! ধবধবে সফেদ, ধূসর, খয়েরি, পাটকিলে, সবজেটে, ছিটেদার হরেক রঙের পাথর টেনে নিয়ে পালিশ করতে করতে পাগলীপারা সে চলেছে অধঃপতনের নেশায়। তার প্রায় কোল ঘেঁষেই আমাদের ক্যাম্প। না'হাজার ফুট উচ্চতার আশেপাশে! ধুনি জ্বালার আগে কার্ড জোগার করতে লাগে। তাই গোড়ার গপ্পটি আগে বলি।